বাংলার ইতিহাস (১৭৬৫–১৯০৫) ঔপনিবেশিক শাসনের প্রভাবে বাংলার রাজনৈতিক, প্রশাসনিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিবর্তনের ধারাবাহিক চিত্র তুলে ধরে। ব্রিটিশ শাসনের বিস্তার, প্রশাসনিক পুনর্গঠন, অর্থনৈতিক পরিবর্তন এবং সমাজজীবনে এর প্রভাব সম্পর্কে এতে গুরুত্বপূর্ণ ধারণা পাওয়া যায়। বাংলার অভিজ্ঞতাকে বৃহত্তর উপমহাদেশীয় প্রেক্ষাপটে বিশ্লেষণ করলে দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস (১৭৫৭–১৮৫৭) বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। পলাশীর যুদ্ধ, ব্রিটিশ আধিপত্যের প্রতিষ্ঠা, রাজনৈতিক পরিবর্তন এবং ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের মাধ্যমে উপমহাদেশে ঔপনিবেশিক শাসনের বিকাশকে বোঝা যায়।
পশ্চিম এশিয়ার রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাম্রাজ্যিক রূপান্তরও এই আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বিভিন্ন সাম্রাজ্যের উত্থান-পতন, প্রশাসনিক পরিবর্তন এবং আঞ্চলিক রাজনীতির বিকাশের মাধ্যমে অঞ্চলটির পরিবর্তনশীল পরিস্থিতি সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা অর্জন, রাষ্ট্রগঠন, সংবিধান প্রণয়ন এবং নতুন রাজনৈতিক ব্যবস্থার বিকাশ একটি স্বতন্ত্র রাষ্ট্রীয় অভিজ্ঞতা তুলে ধরে।
আধুনিক বিশ্বের ক্ষমতার ভারসাম্য, শিল্পায়ন ও সাম্রাজ্য বিস্তারের ধারা বুঝতে ইংল্যান্ডের অতীত ঘটনাপ্রবাহ গুরুত্বপূর্ণ। ইংল্যান্ডের ঔপনিবেশিক সম্প্রসারণের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হিসেবে আফ্রিকার রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিবর্তনও বিশ্বপরিসরে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।
ইউরোপের রাজনৈতিক ও সামাজিক বিকাশ আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থা, জাতীয়তাবাদ, শিল্পবিপ্লব, রাজনৈতিক আন্দোলন এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের পটভূমি নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। পাশাপাশি আধুনিক দূরপ্রাচ্য ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে ঔপনিবেশিকতা, জাতীয়তাবাদ, অর্থনৈতিক পরিবর্তন ও রাজনৈতিক রূপান্তরের ধারাও আলোচিত হয়েছে। এসব আঞ্চলিক বিষয় পরস্পরের সঙ্গে সম্পর্কিত হয়ে আঞ্চলিক পরিবর্তন থেকে বৈশ্বিক পর্যায় পর্যন্ত রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বিকাশের একটি সমন্বিত চিত্র প্রদান করে।














































































Reviews
There are no reviews yet.