প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় সভ্যতার ইতিহাস; মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাস—১৯১৯ থেকে বর্তমান; মুসলিম ইতিহাসতত্ত্বের বিকাশ—আরব খিলাফত ও ভারত; বাংলায় মুসলমানদের ইতিহাস (১২০০–১৭৬৫)।
ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি-এর গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোকে প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় সভ্যতা, আধুনিক মধ্যপ্রাচ্য, মুসলিম ইতিহাসতত্ত্ব এবং বাংলায় মুসলমানদের ইতিহাসের সঙ্গে সমন্বিতভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে খণ্ড-২-এ। রাষ্ট্র, ধর্ম, অর্থনীতি, সমাজ, সংস্কৃতি ও রাজনৈতিক পরিবর্তনের দীর্ঘ ধারাকে ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে বিশ্লেষণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের একটি বিস্তৃত ও সুসংগঠিত ইতিহাসবোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে।
প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় সভ্যতার ইতিহাসে রাষ্ট্র, ধর্ম, অর্থনীতি ও সংস্কৃতির দীর্ঘ বিবর্তন এবং বিভিন্ন সভ্যতার বৈশিষ্ট্য তুলে ধরা হয়েছে। এসব ঐতিহাসিক অভিজ্ঞতার আলোকে ইসলামের উত্থান, মুসলিম সভ্যতার বিকাশ এবং এর রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক প্রভাব অনুধাবনের সুযোগ তৈরি হয়।
মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাস—১৯১৯ থেকে বর্তমান অংশে সাম্রাজ্যের পতন, রাষ্ট্রসীমার পুনর্গঠন, জাতীয়তাবাদ, রাজনৈতিক পরিবর্তন ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বিকাশ আলোচনা করা হয়েছে। একই সঙ্গে মুসলিম ইতিহাসতত্ত্বের বিকাশে ইতিহাস রচনার ঐতিহ্য, ঐতিহাসিক উৎস, উৎসনির্ভরতা ও ব্যাখ্যার বিভিন্ন পদ্ধতি তুলে ধরা হয়েছে। আরব খিলাফত ও ভারতের ইতিহাসচর্চার তুলনামূলক আলোচনা অঞ্চলভেদে ইতিহাস রচনার বৈচিত্র্য বুঝতে সহায়তা করবে।
বাংলায় মুসলমানদের ইতিহাস (১২০০–১৭৬৫) অংশে বাংলায় মুসলিম শাসনের বিকাশ, রাষ্ট্রগঠন, প্রশাসনিক পরিবর্তন, সমাজ ও সংস্কৃতির রূপান্তর এবং বৃহত্তর মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে বাংলার যোগাযোগ তুলে ধরা হয়েছে। এর মাধ্যমে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতির আঞ্চলিক বিকাশের সঙ্গে রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিবর্তনের সম্পর্ক বোঝা সহজ হবে।
সার্বিকভাবে খণ্ড-২-এ ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতির পাশাপাশি সভ্যতার বিকাশ, আধুনিক মধ্যপ্রাচ্য, মুসলিম ইতিহাসচর্চা এবং বাংলার ঐতিহাসিক পরিবর্তনকে একটি ধারাবাহিক ও তুলনামূলক কাঠামোয় উপস্থাপন করা হয়েছে। বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান অর্জন, ঐতিহাসিক ঘটনাবলির পারস্পরিক সম্পর্ক অনুধাবন, বিশ্লেষণধর্মী দক্ষতা বৃদ্ধি এবং পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য বইটি একটি কার্যকর শিক্ষা সহায়ক হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে।














































































Reviews
There are no reviews yet.